সভাপতির বানী
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
“মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দীপ্ত সংস্কৃতির রাজধানী ব্রাহ্মণবাড়িয়া”,”ইলিশের বাড়ী চাঁদপুর”,”ঐতিহ্যে গৌরবে কুমিল্লা”এ তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চল।তিন জেলার কত লোক ঢাকায় বসবাস করে,তার সঠিক কোন হিসাব না থাকলেও কয়েক লক্ষ লোক ঢাকায় বসবাস করে বলা যায়,তাদের মধ্য থেকে কতিপয় সৎ,দূরদৃষ্টি সম্পন্ন মহানুভব, দানশীল ব্যক্তির অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ১৯৬৪ সনে বৃহত্তর কুমিল্লাবাসীর বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে পরিচিতি,আস্থা,সামাজিক কল্যানমূলক কাজ ও নির্ভরশীলতার সম্পর্ক জোরদার করা এবং সম্প্রীতি ও সৌহার্দের বন্ধন সুদৃঢ় করার মানসে বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি,ঢাকা নামে এই সমিতির সূচনা হয়।বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি একটি অরাজনৈতিক সমাজসেবামূলক সংগঠন। এ সংগঠনের মহান উদ্দেশ্য বৃহত্তর কুমিল্লার ঐতিহ্যকে লালন করে সুগভীর দেশ প্রেমে উজ্জীবিত হয়ে ঢাকা প্রবাসী বৃহত্তর কুমিল্লার অধিবাসীদের সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখা।আর এ অঞ্চলে জন্ম নিয়েছেন অনেক প্রতিভাবান ব্যাক্তি যাঁদের গৌরবজনক পদচারণা দেশ ও জাতির ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল করেছে।বৃহত্তর কুমিল্লা শত শত বছর আগেও যেমন বাঙালি জাতিকে সমৃদ্ধি ও প্রগতির পথ দেখিয়েছে আজও এ অঞ্চলের খ্যাতিমান মানুষেরা সে আলোক বর্তিকা জ্বালিয়ে রেখেছেন।ঐতিহ্যবাহী বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি,ঢাকা এর সভাপতির পদে গুরু দ্বায়িত্ব প্রদান করায় আমি আনন্দিত ও গর্বিত। আমি যেন আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করতে পারি এ জন্য সকলের দোয়া এবং সংগঠনের মঙ্গলময় ধারাবাহিক সৃজনশীল কাজ এগিয়ে নিতে সকলের সর্বাত্নক সহযোগিতা কামনা করছি।সকল সদস্য,শুভাকাঙ্খি সবার কাছে আমার চাওয়া একটাই তারা যেন সবসময় সংগঠনের সাথে থাকেন এবং অতিতের ন্যায় সহযোগিতা বজায় রাখেন।পরিশেষে দেশ ও সংগঠনের সমৃদ্ধি কামনা করছি।সমিতির সর্বঙ্গীন উন্নতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাস্তবায়নে সকলের মূল্যবান পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করছি।
মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
সভাপতি
বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি,ঢাকা।